সূরাঃ রহমান

অবতীর্ণঃ মদীনা

আয়াতঃ ০১+০২⇒ পরমেশ্বর কোরআন শিক্ষা দিয়াছেন।

আয়াতঃ ০৩+০৪⇒ মনুষ্যকে সৃষ্টি করিয়াছেন, তাহাকে কথা কহিতে শিক্ষা দিয়াছেন।

আয়াতঃ ০৫⇒ সূর্য ও চন্দ্র নিয়মেতে চালিত।

আয়াতঃ ০৬⇒ তৃণ ও তরু নমস্কার করিতেছে।

আয়াতঃ ০৭+০৮⇒ এবং আকাশ, তাহাকে তিনি উন্নমিত করিয়াছেন ও পরিমাণ স্থাপন করিয়াছেন যেন তোমরা (আদান-প্রদানে) পরিমাণ বিষয়ে অতিক্রম না কর।

আয়াতঃ ০৯⇒ এবং ন্যায়ানুসারে পরিমাণকে তোমরা ঠিক রাখিও, এবং পরিমাণ খর্ব করিও না।

আয়াতঃ ১০⇒ এবং পৃথিবী, তাহাকে তিনি মানব মান্ডলীর জন্য প্রসারিত রাখিয়াছেন।

আয়াতঃ ১১+১২⇒ তথায় ফলপুঞ্জ ও খোর্মাফলশালী খোর্মাতরু এবং বিচালিযুক্ত শস্যকণা ও পুষ্প (তিনি সৃজন করিয়াছেন)।

আয়াতঃ ১৩⇒ অনন্তর (হে পরী ও মানবগণ) স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা দুইয়ে অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ১৪⇒ দগ্ধ মৃত্তিকার ন্যায় শুষ্ক মৃত্তিকাযোগে তিনি মনুষ্য সৃষ্টি করিয়াছেন।

আয়াতঃ ১৫⇒ অনন্তর তোমরা স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ১৬⇒ অনন্তর তোমরা স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ১৭⇒ তিনি দুই পর্ব ও দুই পশ্চিমের প্রতিপালক।

আয়াতঃ ১৮⇒ অনন্তর তোমরা স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ১৯⇒ তিনি দুই সাগরকে মিলিতে প্রবর্তিত করিয়াছেন।

আয়াতঃ ২০⇒ উভয়ের মধ্যে আবরণ আছে, এক অন্যকে অতিক্রম করে না।

আয়াতঃ ২১⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ২২⇒ উভয় হইতে মুক্তা ও প্রবাল বহির্গত হয়।

আয়াতঃ ২৩⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ২৪⇒ সাগরে সঞ্চরণশীল পর্বত তুল্য নৌকা সকল তাঁহারই।

আয়াতঃ ২৫⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ২৬⇒ যে কেহ ইহার উপর (পৃথিবীর উপর) আছে সে-ই অনিত্য।

আয়াতঃ ২৭⇒ এবং তোমার মহা গৌরব ও বদান্য প্রতিপালকের আনন নিত্য।

আয়াতঃ ২৮⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ২৯⇒ যে জন স্বর্গে ও পৃথিবীতে আছে সে-ই তাঁহার নিকটে প্রার্থনা কর, প্রতিদিন তিনি একাবস্থায় আছেন।

আয়াতঃ ৩০⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৩১⇒ হে ভারগ্রস্থ দলদ্বয়, শীঘ্রই তোমাদের জন্য (বিচার করিতে) আমি অবসরপ্রাপ্ত হইব।

আয়াতঃ ৩২⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৩৩⇒ হে মানব ও দানব দল, যদি তোমরা স্বর্গ ও পৃথিবীর প্রান্ত হইতে বহির্গত হইতে সুক্ষম হও তবে বাহির হইয়া যাও, (ঈশ্বরের) পরাক্রম ছাড়িয়া বাহির হইতে পারিবে না।

আয়াতঃ ৩৪⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৩৫⇒ তোমাদের প্রতি অগ্নিশিখা ও ধূম প্রেরিত হইবে, অনন্তর প্রতিহিংসা করিতে পারিবে না।

আয়াতঃ ৩৬⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৩৭⇒ পরে যখন আকাশ বিদীর্ণ হইবে, তখন তাহা আরক্তিম চর্মের ন্যায় লোহিত বর্ণ হইবে।

আয়াতঃ ৩৮⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৩৯⇒ অবশেষে সেই দিবস দানব ও মানব স্বীয় অপরাধ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসিত হইবে না।

আয়াতঃ ৪০⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৪১⇒ পাপিগণ আপন লক্ষণ দ্বারা পরিচিত হইবে, পরে ললাটের কেশযোগে ও পদযোগে গৃহীত হইবে।

আয়াতঃ ৪২⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৪৩⇒ এই সেই নরক, পাপিগণ যাহাকে অসত্য বলিতেছিল।

আয়াতঃ ৪৪⇒ তাহারা তাহার (অগ্নির)  মধ্যে ও উচ্ছসিত উষ্ণোদকের মধ্যে ঘুরিতে থাকিবে।

আয়াতঃ ৪৫⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৪৬⇒ এবং যে ব্যক্তি আপন প্রতিপালকের (সাক্ষাতে) দন্ডায়মান হওয়াকে ভয় করিয়াছে, তাহার জন্য দুই স্বর্গদ্যান হয়।

আয়াতঃ ৪৭⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৪৮⇒ সেই দুই (উদ্যান) বহুতর শাখাযুক্ত।

আয়াতঃ ৪৯⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৫০⇒ সেই দুই (উদ্যান) মধ্যে দুই জলপ্রনালী প্রবাহিত।

আয়াতঃ ৫১⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৫২⇒ সেই দুইয়ের মধ্যে সমুদায় ফল দুই প্রকার আছে।

আয়াতঃ ৫৩⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৫৪⇒ তাহারা ফর্শ আসনে (পীনোপাধানে) পৃষ্ঠ স্থাপনকারী হইয়া (বসিবে) তাহার (ফর্শের) কৌষেয় আচ্ছাদন হইবে, এবং উভয় উদ্যানের ফলপুঞ্জ (তাহাদের) নিকটে থাকিবে।

আয়াতঃ ৫৫⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৫৬⇒ তথায় (প্রাসাদাদিতে) (লজ্জাবশতঃ) অপ্রশস্তলোচনা অঙ্গনাগণ থাকিবে, তাহাদের পূর্বে মনুষ্য ও দৈত্য তাহাদিগের সঙ্গে মিলিত হয় নাই।

আয়াতঃ ৫৭⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৫৮⇒ তাহারা (দিব্যাঙ্গণাগণ) ইয়াকুতমণি ও প্রবালস্বরূপ।

আয়াতঃ ৫৯⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৬০⇒ শুভ কর্মের বিনিময় শুভ ভিন্ন নহে।

আয়াতঃ ৬১⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৬২⇒ এবং সেই দুই ভিন্ন (আরও) দুই স্বর্গদ্যান আছে।

আয়াতঃ ৬৩⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৬৪⇒ সেই দুই (উদ্যান) অতিশয় হরিদ্বর্ণ।

আয়াতঃ ৬৫⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৬৬⇒ তাহাদের ভিতরে দুই বেগবতী পয়ঃপ্রনালী হয়।

আয়াতঃ ৬৭⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৬৮⇒ সেই দুই (উদ্যানের) মধ্যে ফলপুঞ্জ ও খোর্মা এবং দাড়িম্বতরু হয়।

আয়াতঃ ৬৯⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৭০⇒ তথায় উত্তমা সুন্দরী নারীগণ হয়।

আয়াতঃ ৭১⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৭২⇒ দিব্যাঙ্গনাগণ পাটমণ্ডপের অভ্যন্তরে (বরের জন্য) লুক্কায়িত।

আয়াতঃ ৭৩⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৭৪⇒ তাহাদের পূর্বে মনুষ্য ও দৈত্য তাহাদের সঙ্গে মিলিত হয় নাই।

আয়াতঃ ৭৫⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ?

আয়াতঃ ৭৬⇒ তাহারা হরিদ্বর্ণ উপাধানের উপর পৃষ্ঠ স্থাপন করিবে প উৎকৃষ্ট আসনে বসিবে।

আয়াতঃ ৭৭⇒ অনন্তর স্বীয় প্রতিপালকের কোন সম্পদের প্রতি তোমরা অসত্যারোপ করিতেছ? আয়াতঃ ৭৮⇒ তোমার মহিমান্বিত ও মহাবদান্য প্রতিপালকের নাম শুভকর।