সূরাঃ মোজ্জম্মেলো

অবতীর্ণঃ মক্কা

আয়াতঃ ০১⇒ হে কম্বলাবৃত পুরুষ।

আয়াতঃ ০২⇒ অল্পক্ষন ব্যতীত রাত্রিতে দন্ডায়মান থাক।

আয়াতঃ ০৩⇒ তাহার (রাত্রির) অর্ধভাগ বা তাহার অল্প ন্যূন অংশ (নমাজের দন্ডায়মান থাক)।

আয়াতঃ ০৪⇒ অথবা তাহার উপর অধিক কর, এবং ধীর পাঠে কোরআন পাঠ কর।

আয়াতঃ ০৫⇒ নিশ্চয় আমি এক্ষন তোমার প্রতি গুরুতর বাক্য অবতারণ করিব।

আয়াতঃ ০৬⇒ নিশ্চয় রজনীতে (নমাজের জন্য) সমুত্থান ইহা সুখভঙ্গবশতঃ এবং ঠিক বাক্য উচ্চারন প্রযুক্ত গুরুতর।

আয়াতঃ ০৭⇒ নিশ্চয় দিবাভাগে তোমরা কার্যাভিনিবেশ বাহুল্য।

আয়াতঃ ০৮⇒ এবং স্বীয় প্রতিপালকের নাম স্মরণ কর ও (সংসার হইতে) বিচ্ছিন্নরুপে তাঁহার দিকে বিচ্ছিন্ন হইয়া পড়।

আয়াতঃ ০৯⇒ তিনি পূর্ব ও পশ্চিমের প্রতিপালক, তিনি ব্যতীত উপাস্য নাই, অতএব তাঁহাকে কার্যসম্পাদকরুপে গ্রহণ কর।

আয়াতঃ ১০⇒ এবং তাহারা যাহা বলিয়া থাকে তৎপ্রতি ধৈর্য ধারণ কর, এবং তাহাদিগকে উত্তম বর্জনে বর্জন কর।

আয়াতঃ ১১⇒ এবং আমাকে ও ধনবান মিথ্যাবাদী (কোরেশদিগকে) ছাড়, এবং তাহাদিগকে অল্প অবকাশ দাও।

আয়াতঃ ১২⇒ নিশ্চয় আমার নিকটে বন্ধন সকল ও নরক আছে।

আয়াতঃ ১৩⇒ এবং কন্ঠাবরোধক খাদ্য ও দুঃখজনক শাস্তি আছে।

আয়াতঃ ১৪⇒ সেই দিবস পৃথিবী ও গিরিশ্রেনী কম্পিত হইবে, এবং পর্বত সকল বিক্ষিপ্ত মৃত্তিকাস্তুপ হইয়া যাইবে।

আয়াতঃ ১৫⇒ নিশ্চয় আমি (হে মক্কাবাসিগণ) যেমন ফেরওনের প্রতি প্রেরিতপুরুষ প্রেরণ করিয়াছিলাম, তদ্রুপ তোমাদের প্রতিও প্রেরিতপুরুষ, তোমাদের প্রতি সাক্ষ্যদাতা প্রেরণ করিয়াছি।

আয়াতঃ ১৬⇒ অনন্তর ফেরওন সেই প্রেরিতপুরুষকে অগ্রাহ্য করিয়াছিল, পরে আমি তাহাকে কঠিন আক্রমণে আক্রমণ করিয়াছিলাম।

আয়াতঃ ১৭+১৮⇒ অবশেষে যদি তোমরা কাফের হইয়া থাক, তবে যে দিবস বালকদিগকে বৃদ্ধ করিবে, আকাশ যাহাতে বিদীর্ণ হইবে, কেমন করিয়া সেই দিবস তোমরা রক্ষা পাইবে? তাঁহার অঙ্গীকার কার্যে পরিণত হয়।

আয়াতঃ ১৯⇒ নিশ্চয় ইহাই উপদেশ, অনন্তর যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে সে স্বীয় প্রতিপালকের দিকে পথ অবলম্বন করিবে।

আয়াতঃ ২০⇒ নিশ্চয় (হে মোহম্মদ) তোমার প্রতিপালক জ্ঞাত হইতেছেন যে, তুমি ও তোমার এক দল সহচর রজনীয় প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ও তাহার অর্ধাংশ এবং তাহার এক-তৃতীয়াংশ (নমাজে) দন্ডায়মান থাক, এবং ঈশ্বর দিবারাত্রি পরিমাণ করিয়া থাকেন, তিনি জানিয়াছেন যে, তোমরা কখন তাহা ধারণ করিতে পার না, অতএব (অনুগ্রহপূর্বক) তিনি তোমাদের প্রতি ফিরিলেন, অনন্তর কোরআনের যাহা সহজ তাহা হইতে তোমরা পাঠ কর, তিনি জ্ঞান হইয়াছেন যে, অচিরে তোমাদের কেহ কেহ পীড়িত হইবে, অপর লোক ঈশ্বরের অনুগ্রহে (উপজীবিকা) অনুসন্ধান করতঃ পৃথিবীতে পর্যটন করিবে, এবং অন্য লোক ঈশ্বরের পথে সংগ্রাম করিতে থাকিবে, অতএব তাহার যাহা সহজ তাহা পাঠ কর, এবং নমাজকে প্রতিষ্ঠিত রাখ এবং জকাত দান কর ঈশ্বরকে উৎকৃষ্ট ঋণে ঋণ দান কর, এবং তোমরা আপনাদের জীবনের জন্য যে কিছু কল্যাণ পূর্বে প্রেরণ করিবে তাহা ঈশ্বরের নিকটে প্রাপ্ত হইবে, তিনি কল্যাণ বিধানে ও পুরস্কার দানে শ্রেষ্ঠ; এবং তোমরা ঈশ্বরের নিকটে ক্ষমা প্রার্থনা কর, নিশ্চয় পরমেশ্বর ক্ষমাশীল দয়ালু।