সূরাঃ ফজ্বর

অবতীর্ণঃ মক্কা

আয়াতঃ ০১+০২+০৩+০৪⇒ উষাকালের ও দশ রজনীর ও যুগল একাকীর এবং যখন চলিয়া যায় সেই রাত্রির শপথ।

আয়াতঃ ০৫⇒ ইহার মধ্যে কি জ্ঞানবানের জন্য (জ্ঞানীর বিশ্বাস্য) শপথ আছে?

আয়াতঃ ০৬+০৭+০৮⇒ এবং তুমি কি দেখ নাই যে, তোমার প্রতিপালক স্তম্ভধারী সেই আদ এরমের প্রতি যাহার সদৃশ নগর সকল সৃষ্ট হয় নাই, কি করিয়াছিলেন?

আয়াতঃ ০৯+১০+১১+১২⇒ সমুদ জাতির প্রতি যাহারা প্রান্তরে (আশ্রয়ের জন্য) প্রস্তর কাটিয়া লইয়াছিল ও কীলকধারী ফেরওণের প্রতি যাহারা নগর সকলে উচ্ছৃঙ্খল হইয়াছিল, পরে তথায় অতিশয় উৎপাত করিয়াছিল?

আয়াতঃ ১৩⇒ পরে তোমার প্রতিপালক তাহাদের প্রতি শাস্তির কশাঘাত করিয়াছিলেন।

আয়াতঃ ১৪⇒ নিশ্চয় তোমার প্রতিপালক সঙ্কেত স্থানে আছেন।

আয়াতঃ ১৫⇒ অনন্তর কিন্তু মনুষ্য, যখন তাহাকে তাহার প্রতিপালক পরীক্ষা করেন, পরে তাহাকে সম্মানিত করেন ও তাহাকে সম্পদ দান করেন, তখন বলে, “আমার প্রতিপালক আমাকে সম্মানিত করিয়াছেন”।

আয়াতঃ ১৬⇒ এবং কিন্তু যখন তাহাকে পরীক্ষা করেন, অনন্তর তাহার উপজীবিকা তাহার সম্বন্ধে খর্ব করেন, তখন সে বলিয়া থাকে, “আমার প্রতিপালক আমাকে হেয় করিয়াছেন”।

আয়াতঃ ১৭⇒ না না, বরং তোমরা অনাথকে সম্মান কর নাই।

আয়াতঃ ১৮⇒ এবং দরিদ্রদিগকে আহার দানে প্রবৃত্তি দান করিতেছ না।

আয়াতঃ ১৯⇒ এবং তোমরা প্রচুর ভোগে স্বত্ব ভোগ করিতেছ।

আয়াতঃ ২০⇒ এবং প্রভূত প্রেমে ধনকে প্রেম করিতেছ।

আয়াতঃ ২১⇒ না না, যখন ভূমণ্ডল চূর্ণ-বিচূর্ণ হইয়া যাইবে।

আয়াতঃ ২২⇒ এবং তোমার প্রতিপালক ও দেবগণ বহুশ্রেণীতে আগমন করিবেন।

আয়াতঃ ২৩⇒ এবং সেই দিবস নরক আনয়ন করা হইবে, সেই দিবস মনুষ্য উপদেশ গ্রহণ করিবে, এবং কোথায় উপদেশ স্বীকারে (উপকার হইবে)।

আয়াতঃ ২৪⇒ সে বলিবে, “হায়! যদি আমি স্বীয় জীবনের জন্য পূর্বে (পুণ্যকর্ম) প্রেরণ করিতাম”।

আয়াতঃ ২৫⇒ অনন্তর সেই দিবস তাঁহার শাস্তির ন্যায় কেহ শাস্তি দান করিবে না।

আয়াতঃ ২৬⇒ এবং তাঁহার বন্ধনের ন্যায় কেহ বন্ধন করিবে না।

আয়াতঃ ২৭+২৮⇒ (মৃত্যুকালে বিশ্বাসী আত্মাকে বলা হইবে) “হে সুখী প্রাণ, তুমি প্রসন্নতা প্রাপ্ত, আপন প্রতিপালকের দিকে প্রসন্নভাবে ফিরিয়া যাও”।

আয়াতঃ ২৯⇒ (কেয়ামতের দিন বলা হইবে) “অনন্তর আমার দাসবৃন্দের মধ্যে প্রবেশ কর।

আয়াতঃ ৩০⇒ এবং আমার স্বর্গলোকে প্রবেশ কর”।