সূরাঃ নবা

অবতীর্ণঃ মক্কা

আয়াতঃ ০১⇒ তাহারা কোন বিষয়ে পরস্পর জিজ্ঞাসা করিতেছে?

আয়াতঃ ০২+০৩⇒ যে বিষয়ে তাহারা বিরোধকারী সেই মহাসংবাদের বিষয়ে।

আয়াতঃ ০৪⇒ না, না, শীঘ্র তাহারা (তাহা) জানিতে পাইবে।

আয়াতঃ ০৫⇒ তৎপর না, না, শীঘ্র জানিতে পাইবে।

আয়াতঃ ০৬+০৭⇒ আমি কি পৃথিবীকে শয্যা ও পর্বতশ্রেণীকে কীলকস্বরূপ করি নাই?

আয়াতঃ ০৮⇒ এবং তোমাদিগকে স্ত্রী-পুরুষ সৃজন করিয়াছি।

আয়াতঃ ০৯⇒ এবং নিদ্রাকে তোমাদের বিশ্রাম করিয়াছি।

আয়াতঃ ১০⇒ এবং রজনীকে আবরণ করিয়াছি।

আয়াতঃ ১১⇒ এবং দিবাকে জীবিকা অন্বেষণের কাল করিয়াছি।

আয়াতঃ ১২⇒ এবং তোমাদের উপর দৃঢ় সপ্ত (স্বর্গ) নির্মাণ করিয়াছি।

আয়াতঃ ১৩⇒ এবং সমুজ্জ্বল দীপ (সূর্য) সৃজন করিয়াছি।

আয়াতঃ ১৪⇒ এবং বারিবর্ষী বারিদজল হইতে বারিবিন্দু বর্ষণ করিয়াছি।

আয়াতঃ ১৫+১৬⇒ তাহাতে তদ্দারা শস্যকণা ও উদ্ভিদ এবং পরিবেষ্টিত উদ্যান সকল নিঃসারিত করি।

আয়াতঃ ১৭⇒ নিশ্চয় বিচার-নিষ্পত্তির দিন এক নির্ধারিত কাল হয়।

আয়াতঃ ১৮⇒ যে দিবস সুরবাদ্যে ফুঁৎকার করা হইবে, তখন দলে দলে তোমরা (কবর হইতে) সমুপস্থিত হইবে।

আয়াতঃ ১৯⇒ এবং আকাশ উন্মুক্ত হইবে, পরে বহু দ্বার হইয়া যাইবে।

আয়াতঃ ২০⇒ এবং পর্বত সকলকে চালিত করা হইবে, অনন্তর মরীচিকা (তুল্য) হইয়া যাইবে।

আয়াতঃ ২১+২২⇒ নিশ্চয় নিরয়লোক দুর্বিনীত লোকদিগের জন্য প্রতীক্ষাকারী প্রত্যাবর্তন ভূমি হইবে।

আয়াতঃ ২৩⇒ তাহারা তথায় বহু যুগ স্থিতি করিবে।

আয়াতঃ ২৪+২৫⇒ তথায় তাহারা পীত ও উষ্ণ বারি ব্যতীত কোন শৈত্য ও পানীয় আস্বাদন করিবে না।

আয়াতঃ ২৬⇒ সমুচিত বিনিময় দেওয়া যাইবে।

আয়াতঃ ২৭⇒ নিশ্চয় তাহারা বিচারের আশা করিতেছিল না।

আয়াতঃ ২৮⇒ এবং আমার নিদর্শনাবলীর প্রতি অসত্যারোপে অসত্যারোপ করিয়াছিল।

আয়াতঃ ২৯⇒ এবং আমি প্রত্যেক বিষয়কে লিপিযোগে আয়ত্ব করিয়াছি।

আয়াতঃ ৩০⇒ (অসত্যারোপ করিয়াছিল) অতএব (বলিব) স্বাদ গ্রহণ কর, অনন্তর শাস্তি ব্যতীত তোমাদিগের প্রতি (কিছু) বৃদ্ধি করিব না।

আয়াতঃ ৩১⇒ নিশ্চয় ধর্মভীরু লোকদিগের জন্য মনোরথসিদ্ধি।

আয়াতঃ ৩২⇒ উদ্যান সকল ও দ্রাক্ষাতরু সকল থাকিবে।

আয়াতঃ ৩৩+৩৪⇒ এবং সমবয়স্কা নবযুবতিগণ ও পুনঃ পুনঃ পরিবেশন করিতেছে এরুপ পানপাত্র থাকিবে।

আয়াতঃ ৩৫⇒ তথায় তাহারা নিরর্থক বাক্য ও অসত্য শ্রবণ করিবে না।

আয়াতঃ ৩৬⇒ তোমার প্রতিপালক হইতে (হে মোহম্মদ) দানের হিসাবানুসারে বিনিময় হয়।

আয়াতঃ ৩৭⇒ তিনি ভূলোক ও দ্যুলোকের এবং যাহা কিছু উভয়ের মধ্যে আছে তাহার প্রতিপালক, তিনি দাতা, তাঁহার (প্রতাপে) তাহারা কথা কহিতে পারিবে না।

আয়াতঃ ৩৮⇒ যে দিবস দেবগণ ও আত্মা সকল শ্রেণীবদ্ধরুপে দন্ডায়মান হইবে, তখন পরমেশ্বর যে ব্যক্তিকে অনুমতি করিবেন সে ব্যতীত কথা কহিবে না, এবং সে ঠিক বলিবে।

আয়াতঃ ৩৯⇒ সত্যই এই দিন, অনন্তর যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে সে আপন প্রতিপালকের দিকে স্থান গ্রহণ করুক। আয়াতঃ ৪০⇒ নিশ্চয় আমি তোমাদিগকে সন্নিহিত শাস্তি বিষয়ে ভয় প্রদর্শন করিলাম, যে দিবস মনুষ্য তাহার হস্ত যাহা পূর্বে প্রেরণ করিয়াছে তাহা দর্শন করিবে, এবং কাফেরগণ বলিবে যে, “হায়! যদি আমি মৃত্তিকা হইতাম, (ভাল ছিল)”।