সূরাঃ কেয়ামত

অবতীর্ণঃ মক্কা

আয়াতঃ ০১⇒ নিশ্চয় আমি কেয়ামতের দিন সম্বন্ধে শপথ করিতেছি।

আয়াতঃ ০২⇒ এবং নিশ্চয় (পাপের জন্য) ভৎসনাকারী প্রাণ সম্বন্ধে আমি শপথ করিতেছি।

আয়াতঃ ০৩⇒ মনুষ্য কি মনে করিতেছে যে, আমি কখনো তাহার অস্থি সংগ্রহ করিব না?

আয়াতঃ ০৪⇒ এবং আমি তাহার অঙ্গুলির শিরোভাগ ঠিক করিতে সুক্ষম।

আয়াতঃ ০৫⇒ বরং মনুষ্য ইচ্ছা করে যে, আপন সম্মুখস্থিত (কেয়ামতের) সম্বন্ধে অপরাধ করে।

আয়াতঃ ০৬⇒ প্রশ্ন করে যে, “কখন কেয়ামতের দিন হইবে”?

আয়াতঃ ০৭⇒ অনন্তর যখন দৃষ্টি নিস্তেজ হইবে।

আয়াতঃ ০৮⇒ এবং চন্দ্রমা তমসাবৃত হইবে।

আয়াতঃ ০৯⇒ রবি শশী সম্মিলিত হইয়া পড়িবে।

আয়াতঃ ১০⇒ সেই দিন মনুষ্য বলিবে, “পলায়নের স্থান কোথায়”?

আয়াতঃ ১১⇒ না না, কোন আশ্রয় নাই।

আয়াতঃ ১২⇒ তোমার প্রতিপালকের নিকটে (হে মোহম্মদ) সেই দিন বিশ্রাম স্থান।

আয়াতঃ ১৩⇒ সেই দিন মনুষ্যকে সে যাহা অগ্রে প্রেরণ করিয়াছে ও পশ্চাতে রাখিয়াছে তাহা জ্ঞাপন করা হইবে।

আয়াতঃ ১৪⇒ বরং মনুষ্য আপন জীবন সম্বন্ধে প্রমাণ।

আয়াতঃ ১৫⇒ এবং সে যদিচ স্বীয় আপত্তি সকল উপস্থিত করে, (তথাপি তাহা যে মিথ্যা আপত্তি বুঝিতে পারিবে)।

আয়াতঃ ১৬⇒ তৎসঙ্গে (কোরআনের সঙ্গে) আপন জিহ্বাকে (তুমি হে মোহম্মদ) তাহা শীঘ্র আয়ত্ব করিতে পরিচালিত করিও না।

আয়াতঃ ১৭⇒ নিশ্চয় আমার প্রতি তাহা (তোমার হৃদয়ে) সংগ্রহ করার ও তাহা পাঠের (ভার)।

আয়াতঃ ১৮⇒ অনন্তর যখন তাহা (স্বর্গীয় দূত) পাঠ করে, তখন তুমি (অন্তরে) তাহার পাঠের অনুসরণ করিও।

আয়াতঃ ১৯⇒ তৎপর নিশ্চয় আমার প্রতি তাহার ব্যাখ্যার (ভার)।

আয়াতঃ ২০⇒ না না, বরং (হে কাফেরগণ) তোমরা আশুকে (সংসারকে) ভালবাস।

আয়াতঃ ২১⇒ এবং চরমকে (পরলোককে) পরিত্যাগ কর।

আয়াতঃ ২২⇒ সেই দিন কতক মুখ প্রফুল্ল হইয়া উঠিবে।

আয়াতঃ ২৩⇒ আপন প্রতিপালকের দিকে অবলোকনকারী হইবে।

আয়াতঃ ২৪⇒ এবং সেই দিন কতক মুখ আকুঞ্চিত ললাট হইয়া পড়িবে।

আয়াতঃ ২৫⇒ তুমি মনে করিতেছ যে, তাহাদের প্রতি কোন বিপদ আনয়ন করা হইবে।

আয়াতঃ ২৬⇒ না না, যখন (সংসারের বিচ্ছেদে কাতর) প্রাণ কন্ঠে পহুঁছিবে।

আয়াতঃ ২৭⇒ এবং বলা হইবে “মন্ত্রবিৎ কে আছে”?

আয়াতঃ ২৮⇒ এবং (মুমূর্ষু) মনে করিবে যে, এই বিচ্ছেদ হয়।

আয়াতঃ ২৯⇒ এবং চরণ চরণের সঙ্গে জড়াইয়া যাইবে।

আয়াতঃ ৩০⇒ সেই দিন তোমার প্রতিপালকের দিকেই প্রস্থান।

আয়াতঃ ৩১⇒ পরে সে (কোরআন) প্রত্যয় করিল না ও উপাসনা করিল না।

আয়াতঃ ৩২⇒ কিন্তু অসত্যারোপ করিল, এবং ফিরিয়া গেল।

আয়াতঃ ৩৩⇒ তৎপর বিলাসগতিতে আপন পরিজনের নিকটে গেল।

আয়াতঃ ৩৪⇒ তোমার প্রতি আক্ষেপ, অবশেষে আক্ষেপ।

আয়াতঃ ৩৫⇒ তৎপর তোমার প্রতি আক্ষেপ, অবশেষে আক্ষেপ।

আয়াতঃ ৩৬⇒ মনুষ্য কি মনে করে যে, নিরর্থক ছাড়িয়া দেওয়া যাইবে।

আয়াতঃ ৩৭⇒ সে কি এক বিন্দু শুক্র নয়, যাহা গর্ভে নিক্ষিপ্ত হইয়া থাকে?

আয়াতঃ ৩৮⇒ তৎপর ঘনীভূত রক্ত হইয়াছে, পরে তিনি (হস্ত-পদাদি) সৃষ্টি করিয়াছেন, অবশেষে সুগঠিত করিয়াছেন।

আয়াতঃ ৩৯⇒ পরে তাহা হইতে দ্বিবিধ নরনারী সৃষ্টি করিয়াছেন। আয়াতঃ ৪০⇒ ইনি মৃতকে সঞ্জীবিত করার বিষয়ে কি সুক্ষম নহেন?